• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
⚡শিরোনামঃ
নববর্ষকে বরণ করে নিতে কুমিল্লায় ব্যাপক প্রস্তুতি। নগরজুড়ে উৎসবের আমেজ ২৮ দিনে কুমিল্লা সিটির আয়-ব্যয়ের হিসাব দিলেন প্রশাসক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লার বুড়িচং নিমসার বাজারে ৩ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি কুমিল্লা জেলা পুলিশের বিনম্র শ্রদ্ধা কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করে জেলা প্রশাসন পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে – প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু ওয়ার্ড পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণে সিটি প্রশাসকের মতবিনিময় বিতর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে কোনো সম্পর্কে নেই : ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত ১২ মশক নিধনে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে – কুসিক প্রশাসক টিপু

কুমিল্লায় কৃষিমন্ত্রীর ঘোষণা গোমতী নদীর মাটি রক্ষায় জিরো টলারেন্স

অপরাধ সংবাদ২৪ ডেস্ক: / ৩৩১ বার দেখা হয়েছে।
আপডেট: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

দেলোয়ার হোসেন জাকির – কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াসিন বলেছেন, গোমতী নদীর এক ইঞ্চি মাটিও কাটতে দেওয়া হবে না। কৃষিজমি ও খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমিল্লা সার্কিট হাউসে তিন মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আব্দুর রউফ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবু সুফিয়ানসহ বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী জানান, শিল্পবর্জ্য, অপরিকল্পিত রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার এবং পরিবেশ দূষণের কারণে কৃষিজমিতে ভারী ধাতুর উপস্থিতি বাড়ছে। এতে মাটির উর্বরতা কমছে, উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, “দেশের ৭০ ভাগ মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে হলে কৃষি খাতের উন্নয়নের বিকল্প নেই। কৃষি উৎপাদন টেকসই রাখতে মাটি, পানি ও পরিবেশ রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”

গোমতী নদীর চর ও তীরবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার বিষয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “নদীর তীর ও চর থেকে মাটি অপসারণের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, ভাঙন বাড়ছে এবং আশপাশের কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই প্রশাসনকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

সভায় তিনি মাটি পরীক্ষা কার্যক্রম জোরদার, গবেষণা সম্প্রসারণ, কৃষকদের প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব চাষাবাদে উৎসাহ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান।


এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ