• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
⚡শিরোনামঃ
বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ- শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বসবাস উপযোগী শহর গড়তে কুমিল্লাবাসীর প্রতি চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবু’র বার্তা ত্রিকালদর্শী রাজনীতিবিদ শতাব্দীর মহীরূহ তারু মিয়া’র ৪০ তম মৃত্যুবার্ষিকী কুমিল্লায় জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনে কোটবাড়ি-বাখরাবাদ সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ টমছমব্রিজ জামে মসজিদ স্থানান্তর টমছমব্রিজের ইউ-টার্ন সম্প্রসারণে উদ্যোগ গ্রহণ জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর মফিজাবাদ কলোনি পরিদর্শন করেন প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লায় অপপ্রচার ওশিষ্টাচারবহির্ভূ রাজনীতির বিরুদ্ধে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল ১৯ মে ‘শিলচর ”ভাষা শহীদ দিবস” বিএনপি যে ওয়াদা দেয়, তা পূরণ করে। কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করা হবে। কুমিল্লা বরুড়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ কুমিল্লায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কুমিল্লাবাসীর প্রত্যাশা কুমিল্লা নামে বিভাগের ঘোষণা কুমিল্লায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে চলছে নানা প্রস্তুতি

তিতাস বেগম রোকেয়া স্কুল এন্ড কলেজের পিঠা উৎসব, ঐতিহ্যের উচ্ছ্বাসে মুখরিত

অপরাধ সংবাদ২৪ ডেস্ক: / ৪৮৪ বার দেখা হয়েছে।
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬

হালিম সৈকত, কুমিল্লা –
হাজার বছরের সমৃদ্ধশালী সংস্কৃতির উত্তরাধিকারী আমরা। খাদ্য রসিক বাঙালি প্রাচীনকাল থেকে প্রধান খাদ্যের পরিপূরক মুখরোচক অনেক খাবার তৈরি করে আসছে। তবে পিঠা সর্বাধিক গুরুত্বের দাবিদার। শুধু খাবার হিসেবেই নয় বরং লোকজ ঐতিহ্য এবং নারী সমাজের শিল্প নৈপুণ্যের স্মারক রূপেও পিঠা বিবেচিত হয়। বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে পিঠা। যখনই পিঠা-পায়েস, পুলি কিংবা নাড়ুর কথা উঠে তখনি যেন শীত ঋতুটি আমাদের চোখে ও মনে ভেসে ওঠে। প্রতি শীতেই গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে শুরু হয় পিঠা পুলির উৎসব।
বাংলার নারী সমাজ অতীতে শিক্ষা দীক্ষায় অনগ্রসর ছিল সত্য, কিন্তু স্বীকার করতে হবে এদেশের নারী সমাজ লোকজ শিল্পকর্মে অত্যন্ত নিপুণ এবং সুদক্ষ। এলাকা অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন বা আলাদা রকম পিঠা তৈরি হয়ে থাকে। গ্রামাঞ্চলে সাধারণত নতুন ধান ওঠার পর থেকেই পিঠা তৈরির আয়োজন করা হয়।
শীতের সময় বাহারি পিঠার উপস্থাপন ও আধিক্য দেখা যায়। বাঙালির লোক ইতিহাস ও ঐতিহ্যে পিঠা-পুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বহুকাল ধরে। এটি লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতিরই বহি:প্রকাশ। যান্ত্রিক সভ্যতার যুগে হারিয়ে যেতে বসেছে পিঠার ঐতিহ্য। সময়ের স্রোত গড়িয়ে লোকজ এই শিল্প আবহমান বাংলার অপরিহার্য অঙ্গ হয়ে উঠলেও এ যুগে সামাজিকতার ক্ষেত্রে পিঠার প্রচলন অনেকটাই কমে এসেছে।
তাই মুখরোচক খাবার হিসেবে পিঠার স্বাদ গ্রহণ ও জনসমক্ষে একে আরো পরিচিত করে তুলতে শহরে ও গ্রামে বিভিন্ন স্থানে শীতকে ঘিরে আয়োজন করা হয় পিঠা উৎসব। লোকজ এই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়াসে বাঙালির পিঠা পার্বণের আনন্দধারায় বেগম রোকেয়া স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা আয়োজন করেছে পিঠা উৎসব।
শীতের পিঠা-পুলিসহ নানা অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় পিঠার পসরা সাজিয়ে উৎসবে আগত দর্শনার্থীদের মনোযোগ কেড়েছে পিঠা উৎসবে অংশ নেয়া স্টলগুলো।

পিঠা উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তিতাস উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
উদ্বোধন করেন বেগম রোকেয়া গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি সেলিম সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তিতাস উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ খাজা মঈনুদ্দিন, একাডেমিক সুপার ভাইজার সারজিনা আক্তার।
সভাপতিত্ব করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রোমেন।
আরও উপস্থিত ছিলেন, নারান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান হানিফ, বাতেন সরকার, ছবির আহমেদ মেম্বার, আদিলুর রহমান, আনিছুর রহমান, হুমায়ূন কবির সরকার, বেগম রোকেয়া গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক মোঃ কামাল পারভেজ।

পরিচালনা ও সঞ্চালনায় ছিলেন, বেগম রোকেয়া স্কুল এন্ড কলেজের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ও প্রভাষক মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়। এবার ৮টি স্টলে নানা ধরণের পিঠার সন্ধান মিলেছে। সব মিলিয়ে পিঠা উৎসবকে ঘিরে স্কুল প্রাঙ্গণে ছিলো ছাত্রী,শিক্ষক ও অভিভাবকে মুখরিত।


এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ